সুরমা পারের কথা ডেস্ক:
টি-টোয়েন্টির মানদণ্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম সারির দল। তাদের বিপক্ষে এখনও খেলাটি ‘শিখতে থাকা’ বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের সম্ভাবনা সব সময় ক্ষীণ থাকে, হোয়াইটওয়াশ তো রীতিমতো অসম্ভবের কাতারে। অসম্ভব সেই কাজটিই সম্প্রতি করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা, তাও আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেরায়।
নভেম্বর-ডিসেম্বরের ক্যারিবীয়ান সফরে টেস্ট সিরিজ ভাগাভাগির পর নিজেদের প্রিয় ফরম্যাট ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হয় বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রিয় ফরম্যাট। সেন্ট ভিনসেন্টে সেই ফরম্যাটেই টাইগাররা দাপট দেখাল। ৩ ম্যাচের সিরিজ জিতে নিল ৩-০ ব্যবধানে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এটাই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশের ঘটনা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেরায় তাদের নাকানি চুবানি খাওয়ানোর নায়ক শেখ মেহেদী। মাত্র ৫.৭৫ গড় ও ৪.১৮ ইকোনমিতে ৮ উইকেট শিকার করেন তিনি। ব্যাট হাতেও করেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি রান। সিরিজসেরা হয়ে তাৎক্ষণিক তার পুরস্কার পান ৩০ বছর বয়সি অলরাউন্ডার। আরও একটা সুখবর পেয়েছেন তিনি।
৩ ম্যাচে ৮ উইকেট শিকারের পর ১৩ ধাপ এগিয়ে এবার টি-টোয়েন্টি বোলারের র্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে ঢুকে গেলেন মেহেদী। ১০ নম্বরে উঠা মেদেহীর রেটিং পয়েন্ট ৬৩৬। তার পরই আছেন তাসকিন আহমেদ। উইন্ডিজে ৩ ম্যাচে ৭ উইকেট শিকার করা পেসার ৭ ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠেছেন, তার রেটিং পয়েন্ট ৬৩০।
সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছেন হাসান মাহমুদ, রিশাদ হোসেন ও তানজিম আহমেদ সাকিব। ২৩ ধাপ আগানো মাহমুদ ২৪, ২১ ধাপ আগানো রিশাদ ১৭ ও ১৬ ধাপ আগানো তানজিম উঠেছেন ৪৬ নম্বরে। একই সিরিজে বল হাতে ৩ উইকেট নেয়া রোস্টন চেজ ১১ ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন।
৫ ধাপ পিছিয়ে শরিফুল ইসলাম নেমে গেছেন ৮০ নম্বরে। ইনজুরির কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারেননি তিনি।