তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট পেতে পারতেন নাহিদ রানা। তাঁর অফ স্টাম্পের সামান্য বাইরে করা ফুল লেন্থের বল একটু সামনে ঝুঁকে ড্রাইভ করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার কেসি কার্টি। ব্যাটের বাইরের কানা ছুঁয়ে বল ভাসলেও প্রথম স্লিপে থাকা সাদমান ইসলাম সামনে ঝুঁকে তালুবন্দী করতে পারেননি।
সেই উইকেট না পেলেও নিজের দুই ওভার পরই রানা ফিরিয়ে দেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে (৩৯)। বাংলাদেশি পেসারের গতির সামনে আগে থেকে হিমশিম খাচ্ছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ইনিংসের ৪৩তম ওভারে আর শেষ রক্ষা হয়নি। টপ লেন্থের ঘণ্টায় ১৪২ কিলোমিটার গতির বলে ঠিকই পরাস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট পেতে পারতেন নাহিদ রানা। তাঁর অফ স্টাম্পের সামান্য বাইরে করা ফুল লেন্থের বল একটু সামনে ঝুঁকে ড্রাইভ করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার কেসি কার্টি। ব্যাটের বাইরের কানা ছুঁয়ে বল ভাসলেও প্রথম স্লিপে থাকা সাদমান ইসলাম সামনে ঝুঁকে তালুবন্দী করতে পারেননি।
সেই উইকেট না পেলেও নিজের দুই ওভার পরই রানা ফিরিয়ে দেন ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে (৩৯)। বাংলাদেশি পেসারের গতির সামনে আগে থেকে হিমশিম খাচ্ছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ইনিংসের ৪৩তম ওভারে আর শেষ রক্ষা হয়নি। টপ লেন্থের ঘণ্টায় ১৪২ কিলোমিটার গতির বলে ঠিকই পরাস্ত হয়েছেন।
ওয়ালশ-বিশপ যেন রানার গতির মধ্যে তাঁদের হারানো দিনের স্মৃতি ফিরে পেয়েছেন। পাবেনই বা না কেন! বাংলাদেশি এই তরুণ পেস সেনসেশন যে জ্যামাইকায় গতির ঝড় তুলেছেন। শর্ট বলে ব্যাটারদের নাকাল করা, হেলমেটে আড়ালে চোখ দুটোয় শঙ্কার কাঁপন। নিখুঁত শর্ট বলে রক্ষণে চিড় ধরানো। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এক বাংলাদেশি গতির ঝড়, যেন সাগর থেকে উঠে আসা হারিকেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের সাজানো বাগান একাই তো করলেন তছনছ। নাহিদ রানা—চাপাই এক্সপ্রেস। এ যেন ‘ফার্স্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের’—বাংলাদেশি সংস্করণ!