বুধবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আইসিটি
  7. আজকের পত্রিকা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া
  10. আমাদের পরিবার
  11. ইসলাম
  12. ইসলাম ও জীবন
  13. একদিন প্রতিদিন
  14. এশিয়া
  15. কৃষি

কাজাখস্তানে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, হতাহত কতজন?

প্রতিবেদক
surmaparerkotha
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪ ৬:০২ অপরাহ্ণ

সুরমা পারের কথা ডেস্ক:

 

কাজাখস্তানে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। উড়োজাহাজটিতে ক্রুসহ মোট ৭২ জন আরোহী ছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ৩২ জনকে। তাদেরকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে কাজাখস্তানের আকতাউ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ৮৪৩২ মডেলের একটি যাত্রীবাহী বিমান। মুহূর্তে আগুন ধরে যায় বিমানটিতে।

 
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, পাঁচজন ক্রুসহ ৭২ এর বেশি আরোহী নিয়ে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রজনি শহরের উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি। ভারি কুয়াশার কারণে যাত্রাপথ পরিবর্তন করে উড়োজাহাজটি। আকতাউ বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিধ্বস্তের আগে আকাশে বেশ কয়েকবার চক্কর দেয় বিমানটি। এসময় জরুরি বার্তাও দেয় উড়োজাহাজটি।
 
 
কাজাখস্তানের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ জন আজারবাইজানের, ৬ জন কাজাখস্তানের, ৩ জন কিরগিজস্তানের ও ১৬ জন রাশিয়ার নাগরিক ছিলেন।
 
রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রোসাভিয়াতসিয়া প্রাথমিকভাবে জানায়, উড়োজাহাজটি একটি পাখির সঙ্গে সংঘর্ষে জরুরি পরিস্থিতির শিকার হয়ে আকতাউ শহরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
 
সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে এমব্রায়ার ১৯০ মডেলের ওই উড়োজাহাজটির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজটি মাটিতে পড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে আগুন ধরে যায়। এ সময় আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি উড়তে দেখা যায়। রক্তাক্ত এবং ক্ষতবিক্ষত যাত্রীদের অক্ষত থাকা উড়োজাহাজের একটি টুকরোতে ধাক্কা খেতে দেখা যায়। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
 
 
এদিকে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও রাশিয়া সফররত আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বুধবারই আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট দেশে ফিরেছেন।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

খাইরগাঁওয়ে ‘বিসমিল্লাহ একাডেমি’র যাত্রা শুরু

সিলেট আদালতপাড়ায় জনরোষের শিকার আওয়ামী লীগ নেতা

মরক্কো উপকূলে নৌকাডুবিতে ৬৯ অভিবাসীর মৃত্যু

জামায়াত নেতাদের প্রশংসায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

পেরুতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বাইডেন-শি চিনপিং

বাদশা ও হানিয়া আমিরের ভিডিও ভাইরাল

‘এএফসি পরীক্ষা’র প্রস্তুতি নেবেন সাবিনারা

২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট

এর আগে ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। সেখানে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন দেয় তাঁরা। পরে এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ‘গভীরভাবে ক্ষুব্ধ’। এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাসপাতাল ও চেম্বারে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বপ্রথম কলকাতার জে এন রায় হাসপাতাল এবং সর্বশেষ ত্রিপুরার আগরতলার আইএলএস হাসপাতাল এ ঘোষণা দেয়। এরপর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির এক চিকিৎসক বলেন, তিনি বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু এর আগে ভারতীয় পতাকায় প্রণাম করে তাঁর চেম্বারে প্রবেশ করতে হবে। চন্দ্রনাথ অধিকারী নামের আরেক চিকিৎসক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, তিনি সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। সেখানে সবাইকে চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে কোনো বাংলাদেশি রোগীকে দেখবেন না। তবে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিল (ডব্লিউবিএমসি) বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধের বিষয়টিকে সমর্থন করেনি। ডব্লিউবিএমসির সভাপতি ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন, তাঁরা রোগীদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করেন না। সবার চিকিৎসা করবেন। বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসকবাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসক গত মাসের মাঝামাঝি ঢাকার বিমানবন্দরে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার এবং পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করার পর চট্টগ্রামে সহিংসতায় আইনজীবীর প্রাণহানির পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ করেছে। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাঁর ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখে ভারত। এর পর থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি রোগী ও পর্যটকের সংখ্যা কমতে থাকে।

বিশ্বনাথে অগ্নিকান্ডে ৬ বসতঘর ভস্মিভূত