মঙ্গলবার , ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আইসিটি
  7. আজকের পত্রিকা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া
  10. আমাদের পরিবার
  11. ইসলাম
  12. ইসলাম ও জীবন
  13. একদিন প্রতিদিন
  14. এশিয়া
  15. কৃষি

শেখ হাসিনা পালালেও সামনে আরেকটি বড় যুদ্ধ

প্রতিবেদক
surmaparerkotha
ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ

সুরমা পারের কথা ডেস্কঃ

 

গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পলায়নে বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও এখন নেতাকর্মী ও দেশবাসীর সামনে আরেকটি বড় যুদ্ধ রয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান।

 

তিনি বলেছেন, কী সেই যুদ্ধ? বিগত ১৬ বছর যাবত এ দেশের মানুষ, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা মানুষের রাজনৈতিক অধিকার এবং বাক-স্বাধীনতাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দেশবাসীর সহযোগিতা-সমর্থন নিয়ে লড়াই-সংগ্রাম করেছে। মানুষের সেই অধিকারগুলোকে এখন পর্যায়ক্রমে আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ফ্যাসিবাদকে হটাতে গোলাম রাব্বানিসহ যারা শহীদ হয়েছে, জীবন দিয়েছে- এটাই ছিল তাদের প্রথম লক্ষ্য।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর লক্ষীচাপ দূবাছুরি মাদ্রাসা মাঠে ২০১৪ সালে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত বিএনপি নেতা গোলাম রাব্বানির পরিবারের জন্য নবনির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

 

অনুষ্ঠানে নিহত গোলাম রব্বানির স্ত্রী-সন্তানের হাতে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সৌজন্যে নির্মিত বাড়ির চাবি তুলে দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এ সময় জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনে শহীদ হওয়া নীলফামারী, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের ১২ পরিবারের সদস্যদের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকার চেক তুলে দেন বিএনপি নেতারা।

ক্ষমতাচ্যুৎ আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমাদের ভাই গোলাম রব্বানি। তার সঙ্গে কী হয়েছে, কীভাবে এই মানুষটিকে হত্যা করা হয়েছে, কীভাবে তার পরিবার নির্যাতিত হয়েছে- এসব কিছুই আপনারা জানেন। কারণ, আপনারা এ এলাকারই মানুষ। গোলাম রব্বানি শুধু একজন নয়, গত ১৬ বছরে সমগ্র বাংলাদেশে এ রকম হাজারো গোলাম রব্বানিকে হত্যা করেছে এবং লাখ লাখ পরিবারকে নির্যাতন করেছে পালিয়ে যাবার ক’দিন আগেও, এক সপ্তাহ আগেও সেই পলাতক স্বৈরাচার। ক্ষমতা ধরে রাখতে প্রায় ২০ হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করেছে, প্রায় ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি মানুষকে বিভিন্নভাবে জখম-নির্যাতন করেছে।

 

তিনি বলেন, গোলাম রব্বানি একজন সাধারণ মানুষ ছিল, একজন রাজনৈতিক কর্মী ছিল। তার দোষ ছিল- সে দেশের মানুষের অধিকার, কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছিল- স্বৈরাচার যে অধিকারকে দাবিয়ে রাখতে চেয়েছিল। গোলাম রব্বানি সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল; সে মানুষের পক্ষে, মানুষের অধিকারের পক্ষে, মানুষের রাজনৈতিক অধিকারের পক্ষে কথা বলেছিল। সে কারণেই স্বৈরাচারের দোসররা তাকে হত্যা করেছে। এ রকম বহু হত্যা করেছে। গোলাম রব্বানিসহ আমাদের ভাইয়েরা আরও যারা শহীদ হয়েছে, তাদের আমরা হয়তো ফিরিয়ে আনতে পারব না। কিন্তু যারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, বিভিন্নভাবে পঙ্গুত্ববরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, চিকিৎসার মাধ্যমে আমরা হয়তো তাদের কাউকে কাউকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ করতে পারব; আবার কাউকে কাউকে হয়তো কিছুটা হলেও সুস্থ করতে পারব। যে পরিবারগুলো বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে- আপনারাসহ বাংলাদেশের মানুষেরা যাদের সামর্থ্য আছে, তারা যদি সেই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ায়, তাহলে ওই পরিবারগুলো আগামী যে কয়দিন বেঁচে থাকবে, কিছুটা হলেও ভালো থাকবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আজ সময় এসেছে, পরিবর্তিত হয়েছে অবস্থা। স্বৈরাচার এই দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে পালিয়ে গেছে। যদিও স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা, অনেক সহযোগীরা এখনো সেই দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছে। তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। আমরা-আপনারা যারা আজ এখানে একত্রিত হয়েছি, আপনাদের মতো এ রকম কোটি কোটি মানুষ যারা বাংলাদেশকে একটি স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যে দেখতে চায়; যেখানে একজন বেকার যুবক শিক্ষিত হোক, অল্পশিক্ষিত হোক কিংবা অর্ধশিক্ষিত হোক- তার কর্মসংস্থানের জন্য বেশি বেগ পেতে হবে না। যেখানে শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষার জন্য টেনশনে থাকতে হবে না, যেখানে রাতের বেলা এবং দিনের বেলায়ও মানুষ পথ দিয়ে হেঁটে যাবার সময় কম-বেশি নিশ্চিন্তে-নিরাপদে হেঁটে যেতে পারে, এটি স্বাভাবিক। একজন মানুষ, সাধারণ মানুষ নিজের দেশ সম্পর্কে যা চিন্তা করে, যা কল্পনা করে- সে রকম একটি দেশ আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

 

‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক সিনিয়র সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আসাদুল হাবিব দুলু, কেন্দ্রীয় নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম, নিহত বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানির মেয়ে রহমত জাহান রিক্তাসহ স্থানীয় নেতারা।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এর আগে ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। সেখানে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন দেয় তাঁরা। পরে এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ‘গভীরভাবে ক্ষুব্ধ’। এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাসপাতাল ও চেম্বারে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বপ্রথম কলকাতার জে এন রায় হাসপাতাল এবং সর্বশেষ ত্রিপুরার আগরতলার আইএলএস হাসপাতাল এ ঘোষণা দেয়। এরপর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির এক চিকিৎসক বলেন, তিনি বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু এর আগে ভারতীয় পতাকায় প্রণাম করে তাঁর চেম্বারে প্রবেশ করতে হবে। চন্দ্রনাথ অধিকারী নামের আরেক চিকিৎসক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, তিনি সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। সেখানে সবাইকে চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে কোনো বাংলাদেশি রোগীকে দেখবেন না। তবে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিল (ডব্লিউবিএমসি) বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধের বিষয়টিকে সমর্থন করেনি। ডব্লিউবিএমসির সভাপতি ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন, তাঁরা রোগীদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করেন না। সবার চিকিৎসা করবেন। বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসকবাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসক গত মাসের মাঝামাঝি ঢাকার বিমানবন্দরে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার এবং পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করার পর চট্টগ্রামে সহিংসতায় আইনজীবীর প্রাণহানির পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ করেছে। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাঁর ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখে ভারত। এর পর থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি রোগী ও পর্যটকের সংখ্যা কমতে থাকে।

হবিগঞ্জে গ্যাস সাবস্টেশন লাইনে বিস্ফোরণে নিহত ৪

সিলেটে ট্রাক ভর্তি ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ২

নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

রংপুরকে শিরোপা জিতিয়ে ম্যাচসেরার পর টুর্নামেন্ট সেরাও সৌম্য

কাষ্টঘর থেকে ই য়া বা সহ মা-ছেলে আটক

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে গল্প আহ্বান কুবি বসুন্ধরা শুভসংঘের

যে কারণে চোখ ঘষা উচিত নয়

৮ দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়

সরকারি সহযোগিতার দাবিতে পীরগঞ্জে আমচাষিদের মানববন্ধন