সোমবার , ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আইসিটি
  7. আজকের পত্রিকা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া
  10. আমাদের পরিবার
  11. ইসলাম
  12. ইসলাম ও জীবন
  13. একদিন প্রতিদিন
  14. এশিয়া
  15. কৃষি

পর্যটক কম সেন্টমার্টিনে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক
surmaparerkotha
ডিসেম্বর ৯, ২০২৪ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ

সুরমা পারের কথা ডেস্কঃ

 

প্রতিবছর অক্টোবরের শেষ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটন মৌসুম শুরু হয়। কিন্তু এবার নানা জটিলতা পেরিয়ে তা শুরু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকে। তবে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দাবি, নানা বাধ্যবাধকতা থাকায় সেন্টমার্টিন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন পর্যটকরা। আর এতে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে পর্যটকের সংখ্যা। এমনকি সরকার নির্ধারিত সংখ্যক পর্যটকের দেখাও মিলছে না।

কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া থেকে রোববার (৮ অক্টোবর) সকাল ৬টায় যাত্রা শুরু করে পর্যটকবাহী কর্ণফুলী জাহাজ। তারপর পরই আরও তিনটি জাহাজ যাত্রা করে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে। বঙ্গোপসাগরের বুকে টানা ৬ ঘণ্টা চলার পর সেন্টমার্টিনের জেটিতে পৌঁছে এই চারটি জাহাজ।


অষ্টম দিনের মতো রোববার কর্ণফুলী, বার আউলিয়া, কেয়ারী ও বে ক্রুজ জাহাজ যোগে দ্বীপে মোট ১ হাজার ১৩২ জন যাত্রী দ্বীপে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিন পর্যটকবাহী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সী ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।


তিনি জানান, আট দিনে মোট ৭ হাজার ১০৫ জন পর্যটক গেছেন দ্বীপে। এর মধ্যে ১ ডিসেম্বর ১টি জাহাজে গেছেন ৬৫৩ জন, ২ ডিসেম্বর ১টি জাহাজে ৬৫৬ জন, ৩ ডিসেম্বর ১টিতে ৭৪০ জন, ৪ ডিসেম্বর ৩টি জাহাজে ১ হাজার, ৫ ডিসেম্বর ২টি জাহাজে ৬৫৬ জন, ৬ ডিসেম্বর ৪টি জাহাজে ১ হাজার ৫৫০ জন, ৭ ডিসেম্বর ২টিতে ৭০৭ জন দ্বীপে গেছেন। যা সরকারের নির্ধারিত প্রতিদিনের ২ হাজার জনেরও কম।

মূলত গত ২২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভায় সেন্টমার্টিনের বিষয়ে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ অক্টোবর একই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব অসমা শাহীন স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি করেন। যে পরিপত্রে ৫টি বিষয় উল্লেখ্য রয়েছে।

যেখানে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিনে নৌ যান চলাচলের বিষয়টি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মতি গ্রহণ করে অনুমতি প্রদান করবে। নভেম্বর মাসে দ্বীপে পর্যটক গেলেও দিনে ফিরে আসতে হবে। রাত্রিযাপন করতে পারবেন না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপন করা যাবে। পর্যটকের সংখ্যা গড়ে প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি হবে না। দ্বীপে রাতে আলো জ্বালানো যাবে না, শব্দ দূষণ সৃষ্টি করা যাবে না। বার-বি-কিউ পার্টি করা যাবে না।

এ সিদ্ধান্তের পর দ্বীপে কড়াকড়ি বিষয় ও ভ্রমণের জন্য নিবন্ধন থাকার কথা প্রচার হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ২ হাজার পর্যটকের দেখাও মিলছে না বলে জানান সী ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

তিনি বলেন, ‘দ্বীপে পর্যটক নিবন্ধিত করতে কোনো জটিলতা নেই। জাহাজের টিকেট কাটলে নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি শেষ।’

এদিকে, কাঙ্ক্ষিত পর্যটকের দেখা না পেয়ে চিন্তিত দ্বীপের বাসিন্দাসহ পর্যটক সংশ্লিষ্টরা।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, ১৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দ্বীপটি সাড়ে ১০ হাজার মানুষ বসবাস করেন। এখন সময় দ্বীপের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস ছিল সমুদ্রে মাছ আহরণ। কিন্তু গত ২০ বছরে বদলে গেছে এ আয়ের মাধ্যম। এখন দ্বীপের শতভাগ মানুষ পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। নভেম্বর থেকে মার্চ এ ৫ মাসের দ্বীপ ভ্রমণকারী পর্যটক নিয়ে করা আয়ে পুরো বছর জীবিকা পরিচালনা করে দ্বীপের মানুষ। কিন্তু এ বছর ৫ মাস সময় পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের সিদ্ধান্ত মতে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি প্রতিদিন ২ হাজার পর্যটক যেতে পারবেন। আর গত ৮ দিনে যাওয়া পর্যটকের সংখ্যা প্রতিদিন গড়ে ১ হাজারের কম। ফলে দ্বীপের মানুষ চিন্তিত রয়েছেন।

বাজারের রেস্তোরাঁ পরিচালনাকারী ব্যবসায়ী আবু তালেব জানান, গত ১৪ বছর আগেও তার ৩টি ফিশিং ট্রলার ছিল। তা আর নেই। একটি রেস্তোরাঁ ও কয়েক রুমের একটি কটেজ পরিচালনা করে সংসারের খচর জোগান দেন। এবারে যত সংখ্যক পর্যটক আসছে তাতে খুবই চিন্তায় আছেন। দুই মাসে আয় কি হবে তা বুঝতে পারছেন না তিনি।

অন্যদিকে, দ্বীপের জেটি ঘাট বাজার থেকে পশ্চিম পাড়ার দূরত্ব এক কিলোমিটারের কম হলেও গফুর মিয়া নামের এক ইজিবাইক চালক দাবি করেন ৩ শত টাকা ভাড়া।
তিনি বলেন, ‘মূলত পর্যটকের ভাড়ায় আমাদের আয়। মালিককে দিয়ে নিজের চলতে হয়। আগে প্রতিদিন ১০-২০ হাজার করে পর্যটক আসলেও এবার সে সংখ্যা এক হাজারেরও কম। আমাদের কোনভাবেই চলছে না। তারপর দুই মাস পর কি হবে ভাগ্য জানে।’

পর্যটককে কেন্দ্র করে দ্বীপে বৈধ-অবৈধ আবাসিক হোটেল কটেজের সংখ্যা ২৩০টি। যেখানে রয়েছে অনেকে কর্মচারীও। অনেক টাকা বিনিয়োগ করে গড়ে উঠা এসব আবাসিক প্রতিষ্ঠানে খরা চলছে বলে জানান দ্বীপের বাসিন্দা ও কটেজ মালিক আবদুল মজিদ।

তিনি বলেন, ‘নানা শঙ্কায় আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলো এবার অনেকেই সংস্কারও করেনি। যারা করেছে ওখানে থাকার মতো পর্যটক তো আসছেন না।’

পরিস্থিতিতে দ্বীপের পর্যটন সীমিতকরণ ও দুই মাস রাত্রি যাপনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি এখন দ্বীপের মানুষের মুখে মুখে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এর আগে ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। সেখানে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন দেয় তাঁরা। পরে এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ‘গভীরভাবে ক্ষুব্ধ’। এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাসপাতাল ও চেম্বারে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বপ্রথম কলকাতার জে এন রায় হাসপাতাল এবং সর্বশেষ ত্রিপুরার আগরতলার আইএলএস হাসপাতাল এ ঘোষণা দেয়। এরপর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির এক চিকিৎসক বলেন, তিনি বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু এর আগে ভারতীয় পতাকায় প্রণাম করে তাঁর চেম্বারে প্রবেশ করতে হবে। চন্দ্রনাথ অধিকারী নামের আরেক চিকিৎসক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, তিনি সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। সেখানে সবাইকে চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে কোনো বাংলাদেশি রোগীকে দেখবেন না। তবে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিল (ডব্লিউবিএমসি) বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধের বিষয়টিকে সমর্থন করেনি। ডব্লিউবিএমসির সভাপতি ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন, তাঁরা রোগীদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করেন না। সবার চিকিৎসা করবেন। বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসকবাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসক গত মাসের মাঝামাঝি ঢাকার বিমানবন্দরে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার এবং পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করার পর চট্টগ্রামে সহিংসতায় আইনজীবীর প্রাণহানির পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ করেছে। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাঁর ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখে ভারত। এর পর থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি রোগী ও পর্যটকের সংখ্যা কমতে থাকে।

সমন্বয়ক খালেদকে ‘গু মে র চেষ্টা’, নিয়ে আসা হয়েছিলো সিলেটে

সমন্বয়ক খালেদকে ‘গু মে র চেষ্টা’, নিয়ে আসা হয়েছিলো সিলেটে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইক‌মিশনার প্রণয় ভার্মা

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি, প্রস্তুত আইসিইউ

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবার কমল, ৯ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ইস্যুতে রাজনীতি ঢুকবে না: অর্থ উপদেষ্টা

ইরানে প্রবেশ করল মার্কিন বাহিনী, চলছে তুমুল লড়াই

বিশ্বম্ভরপুরে অপহৃত কিশোরী নরসিংদীতে উদ্ধার, অপহরক গ্রে ফ তা র

২০ ওভারে ৩৪৯, ছেলেদের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় রানের বিশ্বরেকর্ড

নির্বাচন বিলম্বিত হলে বিপ্লব ব্যাহত হতে পারে