শনিবার , ২৩ নভেম্বর ২০২৪ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আইসিটি
  7. আজকের পত্রিকা
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া
  10. আমাদের পরিবার
  11. ইসলাম
  12. ইসলাম ও জীবন
  13. একদিন প্রতিদিন
  14. এশিয়া
  15. কৃষি

পরমাণু কর্মসূচি উন্নত করার ঘোষণা ইরানের

প্রতিবেদক
surmaparerkotha
নভেম্বর ২৩, ২০২৪ ৯:১৭ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ক্ষমতাধর ও শক্তিশালী দেশ ইরান। ফিলিস্তিনি, সিরিয়া, ইরাক থেকে শুরু করে ইয়েমেন, লেবানন পর্যন্ত বিস্তৃত দেশটির প্রভাব বলয়। শিয়া প্রধান ইরানের এমন আধিপত্যে দিশেহারা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) তেহরানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করে জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ। তবে তাদের এমন পদক্ষেপ মোটেই ভালোভাবে নেয়নি তেহরান। উল্টো এমন পদক্ষেপের জবাবে নিজেদের পরমাণু কর্মসূচি আরও জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।

সিএনএনের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার (২২ নভেম্বর) নতুন উন্নত সেন্ট্রিফিউজ সক্রিয় করার ঘোষণা দেয় ইরান। এসব সেন্ট্রিফিউজ দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কাজে ব্যবহৃত হয়। তার আগের দিন জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থা সহযোগিতা না করার জন্য ইরানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরান বিভিন্ন ধরনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন ও উন্নত সেন্ট্রিফিউজ সক্রিয় করবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আণবিক শক্তি সংস্থার এক যৌথ বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি।

এই পদক্ষেপগুলো দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির আরও উন্নয়নের জন্য নেয়া হচ্ছে। জাতীয় চাহিদা ও ইরানের অধিকারের সঙ্গে মিল রেখেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সেন্ট্রিফিউজে গ্যাস প্রবেশ করানো হয়। পরবর্তীতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এসব ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও ইরানের দাবি, পারমাণবিক বোমা তৈরির ইচ্ছা তাদের নেই।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আইএইএ একটি প্রস্তাব পাস করে। সেখানে ইরানকে তাদের সঙ্গে দ্রুত সহযোগিতা বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়। এক বিবৃতিতে আইএইএ বলেছে, তারা চায় ইরান যেন তাদের পূর্ণ সহায়তা করে। আর তা নিশ্চিত করতে আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

আইনজীবী সাইফুল হত্যা, আটক ৩০

কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বানিয়াচং দারুল কোরআন মাদ্রাসায় দোয়া

দেশে পৌঁছেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, কবে কোথায় দেখতে পাবেন

শূন্যে আউট হয়ে লজ্জার রেকর্ডে মুমিনুল

হবিগঞ্জে ৫ দিনে বিজিবির অ ভি যা নে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাদক উদ্ধার

সিলেটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবদলকর্মী নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি শিথিল করলেন বাইডেন

সাকিব আল হাসানসহ চারজনকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ

এর আগে ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। সেখানে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন দেয় তাঁরা। পরে এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে বিবৃতি দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ ‘গভীরভাবে ক্ষুব্ধ’। এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হাসপাতাল ও চেম্বারে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। সর্বপ্রথম কলকাতার জে এন রায় হাসপাতাল এবং সর্বশেষ ত্রিপুরার আগরতলার আইএলএস হাসপাতাল এ ঘোষণা দেয়। এরপর পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির এক চিকিৎসক বলেন, তিনি বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু এর আগে ভারতীয় পতাকায় প্রণাম করে তাঁর চেম্বারে প্রবেশ করতে হবে। চন্দ্রনাথ অধিকারী নামের আরেক চিকিৎসক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, তিনি সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। সেখানে সবাইকে চিকিৎসা দেবেন। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে কোনো বাংলাদেশি রোগীকে দেখবেন না। তবে পশ্চিমবঙ্গ মেডিকেল কাউন্সিল (ডব্লিউবিএমসি) বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধের বিষয়টিকে সমর্থন করেনি। ডব্লিউবিএমসির সভাপতি ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন, তাঁরা রোগীদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করেন না। সবার চিকিৎসা করবেন। বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসকবাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ ভারতীয় চিকিৎসক গত মাসের মাঝামাঝি ঢাকার বিমানবন্দরে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার এবং পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করার পর চট্টগ্রামে সহিংসতায় আইনজীবীর প্রাণহানির পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই দেশই পরস্পরের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ করেছে। গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাঁর ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখে ভারত। এর পর থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি রোগী ও পর্যটকের সংখ্যা কমতে থাকে।